ডিজিটাল গভর্ন্যান্সে এক ঐতিহাসিক সাফল্যের অংশ হিসেবে, হায়দরাবাদ জেলার কালেক্টর হরি চন্দনাকে সম্প্রতি প্রজা ভবনে উপ–মুখ্যমন্ত্রী মল্লু ভট্টি বিক্রমার্কা সম্মানিত করেন। তেলেঙ্গানায় জনঅভিযোগ নিষ্পত্তিতে হায়দরাবাদ জেলার সেরা পারফরম্যান্সের…
ডিজিটাল গভর্ন্যান্সে এক ঐতিহাসিক সাফল্যের অংশ হিসেবে, হায়দরাবাদ জেলার কালেক্টর হরি চন্দনাকে সম্প্রতি প্রজা ভবনে উপ–মুখ্যমন্ত্রী মল্লু ভট্টি বিক্রমার্কা সম্মানিত করেন। তেলেঙ্গানায় জনঅভিযোগ নিষ্পত্তিতে হায়দরাবাদ জেলার সেরা পারফরম্যান্সের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে তাঁর অভিনব উদ্যোগ—ভারতের প্রথম হোয়াটসঅ্যাপ–ভিত্তিক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা।
অগ্রণী পদক্ষেপ: হোয়াটসঅ্যাপ প্রজাবাণী
মুখ্যমন্ত্রীর প্রজাবাণী ও কালেক্টর প্রজাবাণীর মতো প্রচলিত অভিযোগ ব্যবস্থাগুলি থাকলেও, শারীরিক অসুবিধা ও প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে অনেক দুর্বল নাগরিক সেগুলির সুবিধা নিতে পারতেন না—এটি উপলব্ধি করেন হরি চন্দনা। এই সমস্যার সমাধানে তিনি চালু করেন হোয়াটসঅ্যাপ প্রজাবাণী (74166 87878)। এর মাধ্যমে, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপকে সরকারি অভিযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা দেশের প্রথম জেলা হয়ে ওঠে হায়দরাবাদ।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল প্রবীণ নাগরিক ও দিব্যাঙ্গ (প্রতিবন্ধী) ব্যক্তিদের জন্য সহজ ও সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করা। বাড়িতে বসেই অভিযোগ ও নথি জমা দেওয়ার সুবিধা থাকায়, সরকারি দপ্তরে যাতায়াতের শারীরিক ও আর্থিক বাধা দূর হয়েছে।
বর্ধিত প্রবেশাধিকার ও রেকর্ড সংখ্যক অংশগ্রহণ
একটি বার্তার দূরত্বে সরকার”—এই ধারণা ব্যাপকভাবে অভিযোগের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। আগে যারা প্রক্রিয়াটিকে জটিল ও সময়সাপেক্ষ মনে করতেন, তারাও এখন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্ভয়ে নিজেদের সমস্যা জানাতে শুরু করেন।
অভিযোগের সংখ্যা বাড়লেও, ব্যবস্থার দক্ষতা অটুট থাকে প্রতিটি বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে নথিভুক্ত হয়, একটি ইউনিক ট্র্যাকিং আইডি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট (ATR) সরাসরি নাগরিকের মোবাইলে পাঠানো হয়। এর ফলে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
‘চেঞ্জ মেকার’ হিসেবে একাধিক প্রথম উদ্যোগের ঐতিহ্য
এই সম্মান হরি চন্দনার ধারাবাহিক উদ্ভাবনী কাজেরই আরেকটি স্বীকৃতি। তিনি কালেক্টরেটে কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভারতের প্রথম কিউআর কোড–ভিত্তিক ফিডব্যাক ব্যবস্থা চালু করেন। পাশাপাশি, একাকী প্রবীণ নাগরিকদের সহায়তার জন্য ‘সিনিয়র সাথী’ কর্মসূচিও তাঁরই উদ্যোগ।
গাছিবাউলিতে ভারতের প্রথম পেট পার্ক স্থাপন থেকে শুরু করে গ্রামীণ কারুশিল্পীদের জন্য ‘আরুণ্যা’ ই কমার্স প্ল্যাটফর্ম চালু করা—প্রতিটি উদ্যোগেই তিনি প্রশাসনের প্রচলিত সীমানা অতিক্রম করেছেন। মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনার এই মানসিকতার জন্যই সাধারণ মানুষ তাঁকে ভালোবেসে “চেঞ্জ মেকার আইএএস অফিসার” বলে ডাকেন।
लंदन में समोसा वायरल वीडियो: लंदन की गलियों में एक गोरी महिला गले में टोकरी…
NXT Summit 2026: क्या वाकई अब भारत दुनिया की दिशा तय करेगा? NXT समिट में…
शाम करीब 6 बजे, स्थानीय ग्रामीणों और बाजिदपुर गांव के लोगों की भीड़ ने शिकरावा-भादास…
नालंदा जमीन विवाद गोलीबारी: गुरुवार को एक चौंकाने वाली घटना सामने आई है, जहां जमीन…
PM Kisan Samman Nidhi 22nd Installment:प्रधानमंत्री कल इस योजना की 22वीं किस्त जारी करेंगे जिसके…
PM Modi on LPG: क्या वाकई देश में होने वाली है LPG की किल्लत? NXT…